At Focus Eye Hospital, we are committed to providing advanced, compassionate, and comprehensive eye care. With state-of-the-art technology and expert ophthalmologists, we help you see the world clearly — every step of the way.
Experienced and Board-Certified Ophthalmologists
Advanced Diagnostic and Surgical Equipment
Affordable Packages & Flexible Appointments
এমবিবিএস, বিসিএস( স্বাস্থ্য), ডিও (চক্ষু) ফেলো ইন গ্লূকোমা ও ফ্যাকো (জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান), চক্ষু কনসালটেন্ট, গ্লূকোমা ও ফ্যাকো-সার্জন, কনসালটেন্ট, ২৫০শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল, গোপালগঞ্জ
এমবিবিএস (ডিএমসি), এমসিপিএস, এফসিপিএস (চক্ষু), লং টার্ম ফেলো গ্লূকোমা (এন আই ও), ট্রেইনড ইন গ্লুকোমা (অরবিন্দ, ইন্ডিয়া), প্রফেসর ও হেড অফ গ্লূকোমা, লায়ন্স আই ইনস্টিটিউট এন্ড হসপিটাল, ঢাকা
এমবিবিএস (ডিএমসি), এমসিপিএস, এফসিপিএস (চক্ষু) আইসিও (লন্ডন), এফআরসিএস (গাসগো), এফআরসিএস (এডিনবার্গ), ফেলো-ভিট্রিও রেটিনা,নিউ ইয়র্ক আই এন্ড ইয়ার ইনফারমারি অফ মাউন্ট সিনাই সহযোগী অধ্যাপক, ইস্পাহানি ইসলামিয়া আই ইনস্টিটিউট এন্ড হসপিটাল (এক্স)অধ্যাপক, আদ দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমসিপিএস, এফসিপিএস (চক্ষু), আইসিও (লন্ডন), চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও ফ্যাকো সার্জন, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
এমবিবিএস, ডিও-চক্ষু (বি.এম.ইউ), সিসিডি (বারডেম) চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও সার্জন খুলনা বি.এন.এস.বি চক্ষু হাসপাতাল, শিরোমনি
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস-চক্ষু (ফাইনাল পার্ট), আইসিও লন্ডন (ফাইনাল পার্ট), এফআরসিএস লন্ডন (সেকেন্ড পার্ট), চক্ষু চিকিৎসক ও সার্জন, সহকারী রেজিস্ট্রার, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য) এমসিপিএস, এফসিপিএস (চক্ষু) চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও সার্জন খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
এমবিবিএস, পিজিটি (চক্ষু), চক্ষু চিকিৎসক ও সার্জন, খুলনা বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতাল
এমবিবিএস, ডিও(বিএসএমএমইউ), চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও সার্জন, কনসালট্যান্ট, ফোকাস আই হসপিটাল
এমবিবিএস(ঢাকা) , ডিও(বিএসএমএমইউ), সিসিডি(বারডেম), সহকারী অধ্যাপক, চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও সার্জন , কনসালট্যান্ট, ফোকাস আই হসপিটাল লিমিটেড, খুলনা
ডিও - চক্ষু (বিএমইউ), এফসিপিএস (ফাইনাল পার্ট, ভিট্রিও রেটিনা), চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও সার্জন, কনসালট্যান্ট অফথাললমোলজিস্ট
ডিও(বিএসএমএমইউ), চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও সার্জন, কনসালট্যান্ট, ফোকাস আই হসপিটাল
ফ্যাকো (Phaco) অপারেশন – সচরাচর জিজ্ঞাসা
ফ্যাকো (Phacoemulsification) অপারেশন হলো ছানি অপারেশনের একটি আধুনিক ও নিরাপদ পদ্ধতি, যেখানে আল্ট্রাসাউন্ড প্রযুক্তি ব্যবহার করে চোখের পুরোনো ছানি ভেঙে ফেলা হয় এবং তার জায়গায় একটি কৃত্রিম ইনট্রাওকুলার লেন্স (IOL) বসানো হয়।
ফ্যাকো অপারেশন সাধারণত ১০ থেকে ১৫ মিনিটে শেষ হয় এবং এটি ডে কেয়ার পদ্ধতিতে করা হয় – রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি থাকতে হয় না।
সাধারণত লোকাল অ্যানেস্থেশিয়া (চোখে ড্রপ বা ইনজেকশন) ব্যবহার করা হয়, যাতে রোগী ব্যথা অনুভব না করে, এবং পুরো সময় জেগে থাকেন।
অপারেশনের পর সাধারণত ব্যথা হয় না। কিছুটা অস্বস্তি বা চোখে চুলকানি অনুভব হতে পারে, যা কয়েক দিনের মধ্যে চলে যায়।
অনেক রোগীর দৃষ্টি ১–২ দিনের মধ্যেই পরিষ্কার হয়ে যায়। তবে সম্পূর্ণ নির্ভরযোগ্য দৃষ্টি পেতে ১–২ সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।
✅ চোখে পানি না ঢোকানো
✅ চোখ না কচলানো
✅ ডাক্তারের দেওয়া ড্রপ নিয়মিত ব্যবহার
✅ ধুলাবালি ও ভারী কাজ থেকে বিরত থাকা
✅ সময়মতো ফলোআপ চেকআপ করা
বেশিরভাগ রোগী ২–৩ দিন পর থেকে হালকা কাজ করতে পারেন। তবে চোখ পুরোপুরি সুস্থ হতে ৩–৪ সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগে।
ডাক্তারের পরামর্শে আপনার চোখের পাওয়ার, জীবনযাপন ও চাহিদা অনুযায়ী লেন্স নির্বাচন করা হয়। ফোকাস আই হসপিটালে আমরা Monofocal, Multifocal, Trifocal ও EDOF লেন্স ব্যবহার করি।
খরচ নির্ভর করে লেন্সের ধরন ও অতিরিক্ত প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর। ফোকাস আই হসপিটালে আপনি পাবেন বিভিন্ন বাজেট অনুযায়ী প্যাকেজ।
ফ্যাকো অপারেশনের পর বসানো লেন্স সাধারণত আজীবন স্থায়ী হয়। একবার সফল অপারেশনের পর সাধারণত দ্বিতীয়বার ছানি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
যখন ছানি আপনার দৃষ্টিতে সমস্যা তৈরি করে, তখন বয়স না দেখে চিকিৎসা প্রয়োজন। তবে ৫০ বছরের পর থেকে ছানি সাধারণত বেশি দেখা যায় এবং ফ্যাকো সেই সময়েই সবচেয়ে উপযুক্ত।
হ্যাঁ, তবে রোগ নিয়ন্ত্রণে থাকলে। ডায়াবেটিস/হাইপারটেনশন নিয়ন্ত্রণের পর নিরাপদভাবে ফ্যাকো করা যায়, এবং এসব ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে অপারেশন হয়।
না। বর্তমানে ছানি নিরাময়ের জন্য কোনো প্রমাণিত ওষুধ নেই। একমাত্র স্থায়ী সমাধান হলো সার্জারি।
স্বাভাবিকভাবে ২–৩ দিনের মধ্যে এই উপসর্গ চলে যায়। তবে যদি ব্যথা বা অতিরিক্ত লালচে ভাব থাকে, সাথে সাথে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
না, সাধারণত প্রথমে এক চোখ অপারেশন, এরপর ৭–১৪ দিন পর দ্বিতীয় চোখে করা হয়।
হ্যাঁ, তবে প্রথম ৩–৫ দিন চোখে বিশ্রাম দেওয়া ভালো। এরপর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক কাজে ফিরতে পারেন।
সাধারণত অপারেশনের পর কন্টাক্ট লেন্সের প্রয়োজন হয় না। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে চিকিৎসক পরামর্শ দিলে ব্যবহার করা যায়।
প্রায় ৪ থেকে ৬ সপ্তাহ ধরে ব্যবহার করা হয়। প্রথম ২ সপ্তাহ বেশি নিয়মিত, এরপর ধীরে ধীরে ড্রপ বন্ধ করা হয় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।
সাধারণভাবে ফ্যাকো একটি নিরাপদ ও আধুনিক পদ্ধতি। তবে খুব কম সংখ্যক ক্ষেত্রে সংক্রমণ, ইনফ্ল্যামেশন, লেন্স ডিসলোকেশন বা চোখে চাপ বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকতে পারে – যা অভিজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে নিয়ন্ত্রণযোগ্য।
যোগাযোগ করুন: 013 3284 4799



ROP বা Retinopathy of Prematurity হলো এক ধরনের চোখের রোগ যা অত্যন্ত কম ওজন ও অপরিণত (premature) নবজাতকদের ক্ষেত্রে দেখা যায়। এই রোগে চোখের ভেতরের আলো গ্রহণকারী পর্দা অর্থাৎ রেটিনায় অস্বাভাবিক রক্তনালী গঠনের ফলে দৃষ্টিশক্তি হ্রাস বা সম্পূর্ণ অন্ধত্ব হতে পারে।
ROP স্ক্রিনিং সময়মতো করানো অত্যন্ত জরুরি। সাধারণত জন্মের ৩–৪ সপ্তাহের মধ্যে প্রথম চোখ পরীক্ষা করানো উচিত। একবার স্ক্রিনিং যথেষ্ট নয়—ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ফলোআপ লাগবে।
আপনার শিশু যদি প্রিম্যাচিওর বা কম ওজনে জন্মগ্রহণ করে থাকে, তবে সময় নষ্ট না করে নিকটস্থ চক্ষু বিশেষজ্ঞের কাছে ROP স্ক্রিনিং করান।
প্রতিরোধই শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা — অন্ধত্ব রোধ করুন আজই।
এই সেবা এখন পাওয়া যাচ্ছে ফোকাস আই হসপিটাল লিমিটেড, খুলনায় অভিজ্ঞ ROP চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে। সময়মতো চেকআপ আপনার শিশুর চোখে আলো ফিরিয়ে দিতে পারে।
কোনো কারণে চোখের স্বচ্ছ লেন্স অস্বচ্ছ হয়ে যাওয়াকে চোখের ছানি বলে।
চোখের ছানি হলে অতি সত্ত্বর অপারেশন করাতে হবে। ফোকাস আই হাসপাতালে চোখের অত্যাধুনিক মেশিনে, ব্যাথা ও রক্তপাত মুক্ত ফ্যাকো অপারেশন করা হয়।
চোখের প্রেসার ধীরে ধীরে বেড়ে যায়। পরবর্তীতে জটিলতা সৃষ্টি হয়ে গ্লকোমা হয়ে চোখ চিরতরে নষ্ট হয়ে যায়।
দীর্ঘ দিন ডায়াবেটিস থাকলে চোখের রেটিনায় পানি জমে, রক্ত ক্ষরণ হয়, রেটিনা ছিড়ে গিয়ে চোখ অন্ধ হয়ে যেতে পারে।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ রাখুন। বছরে অন্তত একবার চোখের রেটিনা পরীক্ষা করান। কোনো ধরনের রেটিনা রোগ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নিন। ফোকাস আই হাসপাতালে চোখের ডায়াবেটিস জনিত সমস্যা নির্ণয় ও আধুনিক চিকিৎসার সু-ব্যবস্থা রয়েছে।
গ্লকোমা চোখের নীরব ঘাতক। চোখের প্রেসার বেড়ে গিয়ে চোখের নার্ভ শুকিয়ে যাওয়াকে গ্লকোমা বলে। রোগী কিছু বুঝে ওঠার আগেই চোখের ক্ষতি হয়ে যায়।
নিয়মিত চক্ষু বিশেষজ্ঞ দেখাতে হবে। চল্লিশ বছর বয়সের পর বছরে অন্তত একবার চোখ পরীক্ষা করান। রোগ ধরা পড়লে পরামর্শ ও চিকিৎসা মেনে চলুন। ফোকাস আই হাসপাতালে গ্লকোমা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা অত্যাধুনিক গ্লকোমা চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে।
আধুনিক যুগে শিশুদের চোখের সমস্যা খুব বেশি দেখা দিচ্ছে। স্কুলে ভর্তির পূর্বে অন্তত একবার আপনার শিশুকে চক্ষু বিশেষজ্ঞ দেখাতে হবে। স্কুলে ও বাড়িতে শিশু চোখে ঠিকমত দেখছে কি না যাচাই করুন।
and get a discount on your new glasses